অনলাইন ডেস্ক
চট্টগ্রামের পটিয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ছোট ভাইয়ের মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় বড় বোনের পা বিচ্ছিন্ন হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। আজ রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ১০ মিনিটের সময় চট্টগ্রামের ন্যাশনাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের নাম রাফেজা সুলতানা উর্মি (৩৫)। তিনি পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার মৃত রুহুল আমীন রিজভীর মেয়ে।
পেশায় তিনি স্থানীয় কৈয়গ্রাম এলাকার পরশমণি শিক্ষা নিকেতন স্কুলের সিনিয়র শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
জানা যায়, আজ রবিবার সকালে ছোট ভাই রাশেদুল আমিন রিজভী বাবুর মোটরসাইকেলে কৈয়গ্রাম থেকে পটিয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসে স্মার্ট এনআইডি কার্ড নিতে যাচ্ছিলেন উর্মি। যাওয়ার পথে মহাসড়কের জঙ্গলখাইন ফুলকলি কারখানার সামনে আসতেই হঠাৎ চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান তিনি। এ সময় দ্রুতগামী একটি কার্ভাড ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে তার একটি পা থেঁতলে যায়।
তাকে গুরতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রামের ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
পটিয়া হাইওয়ে পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার পর চালক কাভার্ডভ্যানটি নিয়ে পালিয়ে যান।
তবে কাভার্ডভ্যান ও চালককে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
নিহতের বড় ভাই মো. রফিকুল আমিন রিজভী রুবেল বলেন, ‘ছোট ভাইয়ের বাইকে চড়ে উর্মি পটিয়া নির্বাচন অফিসে যাচ্ছিল। পথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আমার ছোট বোন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তাকে আজ রবিবার রাতে এশার নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।’
পটিয়া হাইওয়ে পুলিশের ওসি মো. জসীম বলেন, ‘কাভার্ড ভ্যান চাপায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নারীর মৃত্যুর সংবাদ শুনেছি।
আমরা বিষয়টি নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করছি।’














Leave a Reply