অনলাইন ডেস্ক
দশমীতে বিসর্জনের পর একটু মিষ্টি মুখ না করলে পূজার মৌসুম যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তবে এই সামান্য মিষ্টি মুখ নিয়েও চিন্তায় থাকেন ডায়বেটিস রোগীরা। কেউ রক্তে সুগার বেড়ে যাওয়ার ভয়ে মিষ্টি খেতে চান না। কেউ আবার নিয়ম না মেনেই খেয়ে নেন।
আসুন জেনে নিই এমন উপায় যার মাধ্যমে ডায়াবেটিস রোগীরাও দশমীতে মিষ্টি খেতে পারবেন।
ভাজা মিষ্টি এড়িয়ে চলুন
অনেকেই ভাজা মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন । তবে এই ধরনের মিষ্টিগুলো ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য একবারেই ভালো নয়। তেলে ভাজা মিষ্টি রক্তে সুগারের পরিমাণ বাড়াতে পারে।
তাই যতটা সম্ভব ভাজা মিষ্টি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতে হবে।
যা খাওয়া যেতে পারে
সব থেকে ভালো সমাধান হলো সুগার ফ্রি মিষ্টি খাওয়া। ফলে রক্তে সুগার বাড়ার আশঙ্কা কম থাকে। এই ধরনের মিষ্টি এখন প্রায় সব দোকানেই পাওয়া যায়।
তবে বাড়িতে সুগার ফ্রি মিষ্টি বানিয়ে খেলে তাতে মিষ্টির পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।
তবে যারা সুগার ফ্রি খেতে চান না, তারা যেকোনো হালকা মিষ্টি খেতে পারেন। এমনকি চাইলে রসগোল্লার রসও খেয়ে নিতে পারেন। এতে খুব একটা সমস্যা হবে না বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
একটার বেশি নয়
এক দিনে একটার বেশি মিষ্টি না খাওয়াই ভালো।
তবে অবশ্যই দুপুরে বা সন্ধ্যার আগে মিষ্টিটা খেয়ে নিন। এতে শরীর মিষ্টির ক্যালোরিকে ক্ষয় করার সময় পাবে। রাতে মিষ্টি খেলে ক্যালোরি ক্ষয় হওয়ার সময় থাকে না। তাই রাতে মিষ্টি খাবেন না।
শরীরচর্চা করুন
মিষ্টি খেলে একটু বেশি শরীরচর্চা করুন। ৩০ মিনিটের বদলে ১ ঘণ্টা হেঁটে নিন। ফলে মিষ্টির ক্যালোরি ক্ষয় করতে পারবেন।
অন্য তেলযুক্ত খাবার না খাওয়া
মিষ্টি খেলে অন্য কোনো তেল বা মশলাদার খাবার খাওয়া যাবে না। এতে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। এক্ষেত্রে সেদিন হালকা খাবার খেতে পারেন। বেশি বেশি শাক, সবজি খেতে হবে।
এই কয়েকটি নিয়ম মেনে চললেই অনায়াসে সুস্থ থেকে পূজায় মিষ্টি খেতে পারবেন।
















Leave a Reply