অনলাইন ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সাব্বির আহমেদ (৮) এক শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার বাবা ও সৎ মাকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযোগ উঠেছে, শিশুটিকে ময়মনসিংহে তাদের ভাড়া বাসায় পিটিয়ে হত্যার পর আড়াইহাজার উপজেলার মারুয়াদি নিজ গ্রামে এনে দাফনের চেষ্টা করা হয়।
সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) এই অভিযোগে ওই দম্পতিকে আটক করে পুলিশ। আটকরা হলেন- রকিবুল হাসান ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী হামিদা আক্তার।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে আড়াইহাজার থানার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের মারুয়াদী গ্রামে রুকসানার বাড়িতে মো. সাব্বির আহমেদ ওরফে সাফওয়ানের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ আসার খবরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন রকিবুল ও হামিদা। পরে তাদের আটক করে পুলিশ।
সাব্বিরের মা ও রকিবুলের প্রথম স্ত্রী (তালাকপ্রাপ্ত) শিউলী আক্তার অভিযোগ করেন, রকিবুলের সঙ্গে তার দুই বছর আগে ডিভোর্স হয়। এরপর হামিদা আক্তারকে বিয়ে করেন রকিবুল। রকিবুল একটি বেসরকারি কোম্পানির চাকরির সুবাদে হামিদাকে নিয়ে ময়মনসিংহের ত্রিশালে থাকতেন। তাদের সঙ্গেই থাকতো শিশু সাব্বির।
ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানার রায়মনি গ্রামে সেলিমের ভাড়া বাসায় সাব্বিরকে পিটিয়ে হত্যা করেন তার সৎ মা হামিদা আক্তার। এরপর সাব্বিরের বাবা রকিবুল হাসান ও হামিদা আক্তার বিষয়টি গোপন রেখে অসুস্থতার কারণে মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচার করেন। সর্বশেষ মরদেহ আড়াইহাজারে এনে নিজ গ্রামে দাফনের চেষ্টা করেন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ সাব্বিরের মরদেহ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায় এবং ওই দম্পতিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
আড়াইহাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুউদ্দিন বলেন, শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় তার মা ত্রিশাল থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন। ওই থানায় মামলা হবে। আমরা তাদের ত্রিশালে প্রেরণ করে দিব।













Leave a Reply