অনলাইন ডেস্ক :
১️. সবুজ শাকসবজি — যেমন পালং, লাল শাক বা ব্রকলি। এগুলো রক্ত পরিষ্কার রাখে, গ্লুকোজ ধীরে বাড়ায়।
২️. লাল চাল বা ব্রাউন রাইস — সাদা চালের চেয়ে ভালো, কারণ এটা ধীরে হজম হয়।
৩️. মিষ্টি আলু (অল্প করে) — এতে প্রাকৃতিক মিষ্টি আছে, কিন্তু শরীরের জন্য ক্ষতিকর না।
৪️. বাদাম ও আখরোট — পেট ভরায়, ইনসুলিন কাজ করতে সাহায্য করে।
৫️. লেবু, কমলা, আমলকি — টক ফলে ভিটামিন সি থাকে, যা রক্তে চিনি নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৬️. মাছ — যেমন রুই, কাতলা বা টুনা। প্রোটিন দেয়, শরীরের প্রদাহ কমায়।
৭️. চিনি ছাড়া দই — হজমে সাহায্য করে, গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৮️. পেয়ারা ও আপেল — ফাইবারে ভরপুর, খেলে তাড়াতাড়ি ক্ষুধা লাগে না।
৯️. শসা ও গাজর — রিফ্রেশিং, রক্তে শর্করা বাড়ায় না।
১০. ওটস বা চিড়া — সকালে খেতে দারুন; ধীরে হজম হয়, এনার্জি দেয়, কিন্তু চিনি বাড়ায় না।
👉 সহজ করে বললে, ডায়াবেটিসের জন্য নিয়মটা হলো —
কম চিনি, বেশি ফাইবার, আর প্রাকৃতিক খাবার।
১️. সবুজ শাকসবজি — যেমন পালং, লাল শাক বা ব্রকলি। এগুলো রক্ত পরিষ্কার রাখে, গ্লুকোজ ধীরে বাড়ায়।
২️. লাল চাল বা ব্রাউন রাইস — সাদা চালের চেয়ে ভালো, কারণ এটা ধীরে হজম হয়।
৩️. মিষ্টি আলু (অল্প করে) — এতে প্রাকৃতিক মিষ্টি আছে, কিন্তু শরীরের জন্য ক্ষতিকর না।
৪️. বাদাম ও আখরোট — পেট ভরায়, ইনসুলিন কাজ করতে সাহায্য করে।
৫️. লেবু, কমলা, আমলকি — টক ফলে ভিটামিন সি থাকে, যা রক্তে চিনি নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৬️. মাছ — যেমন রুই, কাতলা বা টুনা। প্রোটিন দেয়, শরীরের প্রদাহ কমায়।
৭️. চিনি ছাড়া দই — হজমে সাহায্য করে, গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৮️. পেয়ারা ও আপেল — ফাইবারে ভরপুর, খেলে তাড়াতাড়ি ক্ষুধা লাগে না।
৯️. শসা ও গাজর — রিফ্রেশিং, রক্তে শর্করা বাড়ায় না।
১০. ওটস বা চিড়া — সকালে খেতে দারুন; ধীরে হজম হয়, এনার্জি দেয়, কিন্তু চিনি বাড়ায় না।
👉 সহজ করে বললে, ডায়াবেটিসের জন্য নিয়মটা হলো —
কম চিনি, বেশি ফাইবার, আর প্রাকৃতিক খাবার।













Leave a Reply