ঘন কুয়াশা আর শৈত্য প্রবাহে স্থবির রংপুর অঞ্চলের জনজীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঘন কুয়াশা আর শৈত্য প্রবাহে স্থবির হয়ে পড়েছে রংপুর অঞ্চলের জনজীবন। দিন দিন শীতের তীব্রতা বাড়ায় দূর্ভোগ বেড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের। সন্ধ্যা থেকে দুপুর পর্যন্ত কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে পরে নগরীর প্রতিটি এলাকা। শীত নিবারণের জন্য ছিন্নমুল অসহায় মানুষদের অন্তহীন কষ্টের মধ্যে জীবন যাপন করছে। অনেকে খড়-কুঠা জালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। সেই সাথে পুরাতন কাপড়ের দোকানগুলোতে ভিড় বেড়েছে ।
নিম্নআয়ের পাশাপাশি মধ্যবিত্তরাও ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত বিপনী বিতান থেকে গরম কাপড় কিনে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত বছরে শীতের প্রকোপ কম থাকায় বেচা-কেনা ভালো ছিলো না। এবার নভেম্বর মাস থেকে বেচা-কেনা বেশ ভালো বলে জানান তারা।
কেজি মার্কেট হিসেবে পরিচিত রংপুর নগরীর স্টেশন এলাকার এই পুরোন কাপড়ের বাজারে মেলে পুরনো ব্লেজার, জ্যাকেট, সোয়েটার, ট্রাউজার, ওভারকোট ও কম্বলসহ সব শ্রেণীর মানুষের শীতের পোশাক। প্রতিদিনই বিক্রি হচ্ছে লাখ টাকার শীতের কাপড়।
দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি পুরানো শীতবস্ত্রে। স্টেশন বাজার ছাড়াও সুরভী উদ্যানের সামনে ফুটপাতসহ বিভিন্ন মার্কেটে পুরোদমে জমে উঠেছে শীতের কাপড় কেনা-বেচা। তবে এবারে দাম বেশি বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।
শীতবস্ত্র কিনতে আসা রহিমা নামে এক নিম্ন আয়ের নারী জানান, এবার ণভেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে শীত পরতে শুরু করেছে। ডিসেম্বর থেকে শীত বাড়তে শুরু করেছে। এখানকার শীতের কাপড়গুলোর মান ভালো কিন্তু দাম তুলনামূলক কম।
এবার শীতে নিম্নআয়ের মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে রংপুর জেলা প্রশাসন। জেলার প্রতিটি উপজেলায় কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। অগ্রহায়ণের শেষে বেড়েছে শীতের তীব্রতা।
রংপুরের তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ ডিগ্রী সেলসিয়াসে উঠানামা করছে বলে রংপুরের আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন। জেলা প্রশাসক মো. রবিউল ফয়সাল জানান, শীত নিবারণে হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ চলমান রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *