অনলাইন ডেস্ক
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরা ক্যাম্পাসজুড়ে শিক্ষার্থীদের কাছে ছুটে বেড়াচ্ছেন। বিভিন্ন প্যানেল, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা নিজেদের কৌশল অনুযায়ী ভোটারদের মন জয় করতে তৎপর রয়েছেন।
ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান চত্বরে এবং হলে-হলে দেখা যায় লিফলেট বিতরণ, ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা ও সমর্থন চাচ্ছেন প্রার্থীরা।
স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ব্যক্তিগত ও দলগতভাবে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন, আর সংগঠনসমর্থিত প্যানেলগুলোও তাদের প্রচলিত কৌশল পোস্টারের মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা বাড়াচ্ছেন। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে উঠেছে প্রচারণার একটি বড় প্ল্যাটফরম; এখানে প্রার্থীরা ইশতেহার ও কার্যক্রম প্রচার করছেন।
বৃহত্তর অংশের প্রতিশ্রুতি একাধিক সাধারণ ইস্যুর ওপর ঘুরছে। একাডেমিক পরিবেশ ও শিক্ষার মান উন্নয়ন, আবাসন ও পরিবহন সমস্যা সমাধান, ক্যাম্পাস নিরাপত্তা ও শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষা ও গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি।
তবে এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের উপায় ও টেকসই পরিকল্পনা কী এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধোঁয়াশা রয়েই গেছে।
প্রচারণাকালে ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নতুন প্রজন্ম’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী শেখ নূর উদ্দিন আবীর বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অনেক সাড়া পাচ্ছি। আমাদের প্যানেলে নানা ক্ষেত্রের মেধাবীরা আছেন। শিক্ষার্থীরা বিশ্বাস করেন, এই নেতৃত্ব তাঁদের স্বার্থ রক্ষা করবে।
’
শিবির সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ‘রাকসুকে শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়ার প্রকৃত মঞ্চে রূপান্তরিত করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। আমরা শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানকে প্রাধান্য দেব এবং কোনো দলীয় প্রভাব নয়, বরং শিক্ষার্থীর স্বার্থই হবে আমাদের মূল চালিকা শক্তি।’
প্রচারণার সময় মিডিয়া ও প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক পদপ্রার্থী ফাহির আমিন বলেন, ‘রাকসু কেবল একটি নির্বাচনী প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও মতপ্রকাশের ক্ষেত্র। নির্বাচিত হলে শিক্ষার্থীদের কন্ঠস্বর হিসেবে কাজ করব। তারা যেন সহজে তথ্য পায়, স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারে সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই হবে আমার অঙ্গীকার।













Leave a Reply