জাবি প্রতিনিধি: আরিফ হোসেন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) নবাগত ৫৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জন্য হলে সিঙ্গেল সিট নিশ্চিতকরণ এবং রুমের তথ্য হালনাগাদের লক্ষ্যে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল প্রশাসন ও হল সংসদের যৌথ উদ্যোগে টানা ষষ্ঠ দিনের মতো কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।
গত ৬ দিনের কার্যক্রমে হলের প্রতিটি রুমের তথ্য হালনাগাদ, ফাঁকা সিট চিহ্নিতকরণ এবং নবাগত ৫৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের রুমসহ সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ফলে ১৪ জুন (রবিবার) রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম হল হিসেবে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল নবাগত শিক্ষার্থীদের সিঙ্গেল সিট নিশ্চিতকরণে সক্ষম হয়েছে।
হলের কমনরুম সেক্রেটারি মো. আরিফ হোসেন জানান, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বরাদ্দকৃত ৪৬টি সিট ছাড়াও অতিরিক্ত আরও ২০টি ফাঁকা সিট চিহ্নিত করা হয়েছে। যেসব হলে সিট সংকুলান হচ্ছে না অথবা ধারণক্ষমতার তুলনায় বেশি শিক্ষার্থী বরাদ্দ পেয়েছে, সেসব হল থেকে শিক্ষার্থী এনে এই ফাঁকা সিটগুলো পূরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
হলের সহ-সভাপতি (ভিপি) মোহা. সিফাতুল্লাহ বলেন, “নবাগত ৫৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের আবাসন-সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে হল সংসদ শুরু থেকেই অত্যন্ত তৎপর ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে। যার ফলে, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই ইতোমধ্যে সবার জন্য উপযুক্ত সিট নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। হল সংসদ গঠিত হওয়ার পর ৫৪ ও ৫৫ ব্যাচ আসছে, যাদের প্রত্যেককে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল সংসদ শিক্ষার্থীদের ভোটের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে হল প্রশাসনের সহায়তায় সিঙ্গেল সিট, টেবিল, চেয়ার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ব্যবস্থা করেছে। আশা করি– আগামীতেও জাকসু ও হল সংসদ নিয়মিত চালু থাকবে।”
হল সংসদের সভাপতি ও প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. খন্দকার লুৎফুল এলাহী বলেন, “নবাগত ৫৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের হলে আবাসন নিশ্চিতকরণে হল সংসদ ও হল প্রশাসন গত ৬ দিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করছে। ফলশ্রুতিতে, ইতোমধ্যেই বরাদ্দকৃত সিট পূরণ করেও অতিরিক্ত ২০টি সিট চিহ্নিত করতে পেরেছি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি– অন্য হল থেকে এনে এইগুলো পূরণ করা হবে। আবাসন সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন ও সিট চিহ্নিতকরণে হল সংসদ ও হল প্রশাসন অত্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করেছেন। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।”
উল্লেখ্য, গত ছয় দিনের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম হল হিসেবে শিক্ষার্থীদের আবাসন নিশ্চিত করতে সক্ষম হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে সন্তোষ ও স্বস্তি বিরাজ করছে।
















Leave a Reply