জাবি প্রতিনিধি,
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) নবাগত ৫৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও মিষ্টিমুখ করে গ্রহণ করে নিল শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল সংসদ ও হল প্রশাসন। বরণের পরোক্ষণেই প্রত্যক শিক্ষার্থীকে তার স্ব স্ব আবাসন নিশ্চিত করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ১০টায় হলের অফিস কক্ষে নবাগত ৫৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে হল সংসদের সভাপতি ও প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. খন্দকার লুৎফুল এলাহী।
এসময়ে হল সংসদের ভিপি মোহা. সিফাতুল্লাহ, জিএস মাহমুদুল হাসান শাকিব, এজিএস তারেক আহমেদ, কমনরুম সম্পাদক মো. আরিফ হোসেন, সমাজসেবা সম্পাদক, মনোয়ার আহমদ, সামাজিক বিনোদন ও নাট্য সম্পাদক বায়েজিদ আহমদ, কার্যকরী সদস্য সিরাজুল ইসলাম সোহাগ এবং হলের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নবাগত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে কমনরুম সম্পাদক মো. আরিফ হোসেন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় জীবন নতুন সম্ভাবনা, জ্ঞান অর্জন এবং নিজেকে বিকশিত করার এক অনন্য অধ্যায়। আমরা চাই, নবাগত শিক্ষার্থীরা হলে একটি নিরাপদ, সুন্দর ও সহায়ক পরিবেশে তাদের শিক্ষাজীবন শুরু করুক। হল সংসদ ও হল প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে নবাগতদের শতভাগ আবাসন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি। আশা করি, তোমরা শিক্ষা, সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে।”
হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) মোহা. সিফাতুল্লাহ বলেন, “নবাগত সকল শিক্ষার্থীকে তাজউদ্দীন হল পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও স্বাগতম। আজ থেকে তোমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুন্দর, নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশে নিজেদের মেধা, সৃজনশীলতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলি বিকশিত করবে। কোনো ধরনের র্যাগিং বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সম্মুখীন হলে হল সংসদ ও হল প্রশাসনকে অবহিত করবে, আমরা সম্মিলিতভাবে এ ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করব। সর্বশেষ আশা করি, তোমাদের অংশগ্রহণে তাজউদ্দীন হল আরও প্রাণবন্ত ও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে।”
হল সংসদের সভাপতি ও প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. খন্দকার লুৎফুল এলাহী বলেন, “শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলে নবাগত ৫৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও স্বাগতম। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন জ্ঞানচর্চা, মানবিক মূল্যবোধ ও নেতৃত্ব বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আমি আশা করি, তোমরা এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে। আমাদের হলে র্যাগিং, বুলিং ও যেকোনো ধরনের হয়রানির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে। কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে সঙ্গে সঙ্গে হল সংসদ ও হল প্রশাসনকে অবহিত করবে। নবাগতদের জন্য একটি নিরাপদ, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হল প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট। তোমাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবন হোক সুন্দর, নিরাপদ ও সাফল্যমণ্ডিত—এই শুভকামনা রইল।”
উল্লেখ্য, জাবির ২১টি হলের সবকটিতেই নবাগত ৫৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করেছে স্ব স্ব হল সংসদ ও হল প্রশাসন।
















Leave a Reply