ডেস্ক রিপোর্ট
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের পর প্রথমবারের মতো নিউইয়র্কের একটি আদালতে হাজির করা হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার (৫ জানুয়ারি) আদালতে তোলা হলে তার বিরুদ্ধে মাদক সন্ত্রাসে জড়িত থাকা এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ধ্বংসাত্মক ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়।
তবে আদালতে দাঁড়িয়ে সব অভিযোগ অস্বীকার করেন মাদুরো। তিনি বলেন, “আমি নির্দোষ, আমি দোষী নই। আমি একজন ভদ্র মানুষ এবং এখনো আমার দেশের প্রেসিডেন্ট।” একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নিজ দেশ ভেনেজুয়েলা থেকে তাকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসা হয়েছে।
গত শনিবার মধ্যরাতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর বিশেষ ইউনিট ডেল্টা ফোর্স অভিযান চালিয়ে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে। আদালতে তার স্ত্রীও নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।
মাদুরোর নিযুক্ত আইনজীবী আদালতকে জানান, তার মক্কেল এই মুহূর্তে জামিন আবেদন করছেন না, তবে ভবিষ্যতে জামিন চাইবেন। আদালত মাদুরোর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন আগামী ১৭ মার্চ।
সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুনানির সময় আদালতের ভেতরে এক ব্যক্তি স্প্যানিশ ভাষায় চিৎকার করে মাদুরোর উদ্দেশে বলেন, “আপনি যা করেছেন, তার জন্য মূল্য দিতে হবে।”
এর জবাবে মাদুরো স্প্যানিশ ভাষায় বলেন, “আমি একজন অপহৃত প্রেসিডেন্ট, আমি যুদ্ধবন্দি।”
এ ঘটনার পর তাকে দ্রুত আদালতকক্ষ থেকে বের করে নেওয়া হয়। পরে আদালতের পোডিয়ামে তার স্ত্রীকে তোলা হলে সেখানে আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ওই সময় একজন কান্নায় ভেঙে পড়লে বিচারক তাকে আদালত ত্যাগ করার নির্দেশ দেন।
সূত্র: বিবিসি
















Leave a Reply