অনলাইন ডেস্ক
নীলফামারী সদর উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। আজ টুপামারী ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উদ্যোগে আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় বিএনপি’র সাবেক ওয়ার্ড সভাপতিসহ প্রায় ৫০ জন নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।
নীলফামারী-২ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তারা এই যোগদান সম্পন্ন করেন।
টুপামারী ইউনিয়ন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম তার বক্তব্যে যোগদানের কারণ স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন ৫ই আগস্টের পরবর্তী সময়ে বিএনপির কাছে সাধারণ মানুষের যে প্রত্যাশা ছিল, তা পূরণ হয়নি। বিশেষ করে গণভোটের পক্ষে অবস্থান না নেওয়া ,, গনোভোটে “হ্যাঁ” না দেওয়ার পক্ষে না থাকা এবং চলমান বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ব্যথিত হয়ে আমি আমার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে জামায়াতের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
যোগদানকারী উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন
টুপামারী ৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম।
সাবেক ৮ নং ওয়ার্ডের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম।
একনিষ্ঠ কর্মী সোহেল, দুলাল, আ:সালাম,জিয়ারুল,রবিউল,খাদেমুল,সাগর, গোলাপ, আলামীন, রায়হান, মশিউর, শরিফুল, সোহেল, সাজু,খোকন, সুয়েল,নয়ন, আ: মালেক, সিরাজুল,শুভু, সাজেদুল,শাহাজাহান,জিয়ারুল, মামুন, রাব্বি,সজন,বিপ্লব, জিহায়,রাকিব,খায়ের,সুজন, আ:মালেক,রফিক,জুনায়েদ সহ কিছামত দোগাছি এলাকার অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী।
পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফ বলেন, “দেশের মানুষ ৫ই আগস্টের পর এক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে জনগণের সেই চাওয়া পূর্ণ হচ্ছে না। সারাদেশে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব এবং অস্থিরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হচ্ছে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের হাতে দেশ গড়ার দায়িত্ব দেওয়া।”
৮ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই পথসভায় জামায়াত ও এর অঙ্গসংগঠনের ১০ দলীয় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং আগত নির্বাচনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের বিজয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।












Leave a Reply