জাবি প্রতিনিধি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ৬ই ফেব্রুয়ারি আয়োজিত ‘হিম উৎসব’ অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআনের সূরা নাস বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে চরম ধর্ম অবমাননার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
আজ শনিবার (৭ই ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা, জাবি শাখার সভানেত্রী ফেরদৌসী আক্তার জান্নাত স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, “অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত এক বাউল শিল্পী সূরা নাস পাঠের নামে বিকৃত বক্তব্য উপস্থাপন করে বলেন— “সবাই নাচ, এখানে নাচতে বলা হয়েছে। যত নাচবি, তত বাঁচবি।” এই ধরনের বক্তব্য মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে মারাত্মক আঘাত হানে। উক্ত ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ জানালে, তা দমন করার উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বামপন্থী সংগঠনের কিছু ব্যক্তি প্রতিবাদকারীদের ওপর হামলার জন্য উদ্ধত হয়—যা অত্যন্ত নিন্দনীয়, ভয়ংকর এবং অসভ্য আচরণের বহিঃপ্রকাশ। মতপ্রকাশের নামে ধর্ম অবমাননা এবং প্রতিবাদের জবাবে সহিংসতার হুমকি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই—ধর্মীয় গ্রন্থ বিকৃতি ও অবমাননা শুধু একটি নির্দিষ্ট ধর্মের নয়, বরং সামগ্রিক সামাজিক সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও মানবিক মূল্যবোধের ওপর সরাসরি আঘাত। বিশ্ববিদ্যালয় কোনোভাবেই ধর্ম অবমাননা, উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং মতের অমিল দমনে সন্ত্রাসী আচরণের নিরাপদ ক্ষেত্র হতে পারে না।”
আরও বলা হয়, “এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত শিল্পী, আয়োজক এবং হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত পরিচালনা করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে ক্যাম্পাসে এ ধরনের ধর্মবিরোধী ও উসকানিমূলক কার্যক্রম রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাই।
সর্বোপরি আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে স্পষ্ট করে বলতে চাই—ধর্মীয় অনুভূতির ওপর আঘাত ও প্রতিবাদ দমনের রাজনীতি কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। “
















Leave a Reply