লন্ডনে তারেক রহমানকে ট্রফি দিয়ে ভোটের তারিখ নিয়ে আসেন ড. ইউনূস

অনলাইন ডেস্ক

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের ক্যাপ্টেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আমরা কারো কাছে ট্রফি আনতে যাইনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে লন্ডনে গিয়ে ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে এসেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় বগুড়া-২ আসনের সংসদ সদস্য স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ‘এনসিপির এক নেতা বাইরে বক্তৃতায় বলেছেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে ছাত্র-জনতা খেলেছে আর ট্রফি বিএনপি নিয়ে বসে আছে। আমি বলতে চাই—জুলাই আগস্টের আন্দোলন ছাত্র-জনতার সঙ্গে আমরা সবাই ছিলাম, ট্রফি আমরা কারো কাছে আনতে যাইনি। ক্যাপ্টেন কে? অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. ইউনূস লন্ডনে গিয়ে আমাদের ক্যাপ্টেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে এসেছেন। এতেই প্রমাণিত হয়, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের নেতৃত্বের মূল ভূমিকা কোন দলের ছিল, কোন নেতার ছিল।

আমরা সবাই আন্দোলন করেছি—এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু ক্যাপ্টেন একজন থাকে, যে ক্যাপ্টেনের কাছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান লন্ডনে গিয়ে আলোচনা করে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে এসেছেন বলেই এ দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে এবং সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিরোধী দল এবং আমরা আজকে একটি ঐতিহাসিক সংসদে এসে উপস্থিত হতে পেরেছি।’
মীর শাহ আলম বলেন, ‘মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে আমি ধন্যবাদ এই কারণে দিতে চাই, বারবার দিতে চাই, কারণ মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেছে আওয়ামী লীগ। শোনেন, বিরোধী বন্ধুরা, এই মহামান্য রাষ্ট্রপতির মুখ দিয়ে, এই রাষ্ট্রপতির বক্তব্যের মধ্য দিয়ে এই সংসদে আমরা বলিয়েছি—মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

মীর শাহে আলম আরো বলেন, ‘এই রাষ্ট্রপতির ভাষণের মাধ্যমে আমরা বলিয়েছি গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এই মহামান্য রাষ্ট্রপতি আওয়ামী লীগের দ্বারা নির্বাচিত। উনি বক্তব্যে বলেছেন, আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট, আওয়ামী লীগ স্বৈরাচার, আওয়ামী লীগ ভোট চোর। এই কথাগুলো মহামান্য রাষ্ট্রপতি এই সংসদে যখন বলেছেন, এই কৃতিত্ব বিএনপির এবং সংসদ নেতা তারেক রহমানের।’

সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরে মীর শাহে আলম বলেন, ‘এই সংসদে দাঁড়িয়ে বিএনপির গৃহীত যেসব কর্মসূচি উপস্থাপন করেছে যেমন—ফ্যামিলি কার্ড।

ইতিমধ্যেই এই ফ্যামিলি কার্ড প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করে সারা বাংলাদেশের গৃহকর্ত্রী এবং নারীদের মধ্যে আলোচনায় চলে এসেছেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতি এই সংসদে দাঁড়িয়ে কৃষক কার্ডের ব্যাপারটি উপস্থাপন করেছেন এবং এই কৃষক কার্ড ইতিমধ্যেই সারা বাংলাদেশে কৃষকদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই কৃষক কার্ড প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে আগামী ১৪ তারিখ পহেলা বৈশাখ টাঙ্গাইল সদর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ শুরু হবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com